Description
-
১. অনিদ্রা দূর করে
-
২. স্ট্রেস কমায়
-
৩. কোলেস্টেরল দূর করে
-
৪. অশ্বগন্ধা কাম উত্তেজনা সৃষ্টিতে সহায়ক
-
৫. যৌন ক্ষমতা বাড়ায়
-
৬. রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্র বাড়ায়
-
৭. সহনশীলতা বাড়ায় ১. অনিদ্রা দূর করে
আমরা আগেই জেনেছি ক্লান্তি দূর করে স্নায়ুকে আরাম প্রদান করতে অ শ্ বগ ন্ধা খুবই কার্যকারী একটি ঔষধি ভেষজ। এর ফলে ঘুম খুব ভাল হয়। বিভিন্ন গবেষণার থেকে জানা যায় যে, অ শ্বগ ন্ধা ব্যবহা র করলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
২. স্ট্রেস কমায়
অশ্বগন্ধায় অ্যানজাইলটিক উপাদান উপস্থিত থাকে বলে এটি মানসিক চাপকে কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।অর্থাৎ এটি স্নায়ুতন্ত্রের ওপর কাজ করতে সক্ষম। আপনি যদি খুব ভয় পেয়ে যান কোনো কারণে তাহলে প্যানিক অ্যাট্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে, এই সমস্যা এড়াতে অশ্বগন্ধা সাহায্য করে।
৩. কোলেস্টেরল দূর করে
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়, অশ্বগন্ধা ভেষজ মানব শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে পেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্র বাড়ায়
বিজ্ঞানীরা প্রমান করেছে অশ্বগন্ধা রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়াতে পারে। টেস্টোস্টেরনকে বলা হয় সেক্স হরমোন। এটি পুরুষের লি ঙ্গ দৃঢ় করে এবং কামাকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে। পুরুষদের বয়স বাড়তে থাকলে তাদের দেহে টেস্টোস্টেরনের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পায়। এছাড়াও বিভিন্ন কারণে রক্তে টেস্টোস্টেরন উৎপাদন কমে যেতে পারে। অশ্বগন্ধা লুটেইনিজিং হরমোন এবং টেস্টোস্টেরনের সিরামের মাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে পুরুষের যৌ ন হরমোনগুলির প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে বজায় থাকে। অ শ্বগ ন্ধা করটিজলের বৃদ্ধি রোধ করে স্ট্রেস হ্রাস করতে পরিচিত, করটিজল প্রাকৃতিক টেস্টোস্টেরন উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে।
৭. সহনশীলতা বাড়ায়
অশ্বগন্ধা শারীরিক পারফরম্যান্সকে আরও উন্নত করার পাশাপাশি যৌ ন স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও করাতে কাজ করে। নিয়মিত অশ্বগন্ধা সেবনের ফলে ধৈর্য্যশীলতা, শারীরিক ক্রিয়াকলাপ ও সহনশীলতা প্রভৃতির উন্নতি ঘটে।
৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
অশ্বগন্ধায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান থাকার ফলে এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক সাহায্য করে।
৯. থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে
হাইপোথাইরয়েডের অর্থাৎ যাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমান কম থাকে তাদের এই সমস্যা দূর করতে ব্যবহৃত হয় অশ্বগন্ধা। শরীরে থাইরক্সিন হরমোনের পরিমান বাড়ায় এই অশ্বগন্ধা।
১০. চোখের সমস্যা কমাতে
প্রাচীনকালে চোখের স্বাস্থ্য ভালো করতে অশ্বগন্ধা ব্যবহার করা হত বলে জানা যায় ।
১১. আর্থ্রাইটিস সারাতে
আর্থ্রাইটিস এর ব্যথার তীব্রতা কমাতে অশ্বগন্ধার গুঁড়ো খুবই উপযোগী। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আর্থ্রাইটিস সারাতে অশ্গন্ধা ব্যবহৃত হয়।
১২. ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে
অশ্বগন্ধা ক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবে কার্যকর ফলাফল দেয়।আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মতে অশ্বগন্ধার পাতা ও মূলের নির্যাসে উপস্থিত ফাইটোকেমিক্যালস টিউমার কোষকে ধ্বংস করতে ও সেই কোষে রক্ত সরবারহ বন্ধ করে দেয় ।ক্যান্সারের সময় কেমোথেরাপির মধ্যে দিয়ে যাদের যেতে হয়, তাদের জীবনের মানের উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে অশ্বগন্ধা।
১৩. ডায়াবেটিসের সমস্যা কমাতে
মূল ও পাতার নির্যাস অ্যান্টি-ডায়াবেটিক উপাদান থাকে। এই অংশের কোষে যে ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকে তা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও অশ্বগন্ধা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে লিপিডের পরিমান ঠিক রাখতে সাহায্য করে বলে জানা গেছে।
১৪. স্মৃতিশক্তি উন্নত করে
যাদের অ্যালজাইমারস রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রেও অবস্থার উন্নতিতে অশ্বগন্ধা কাজ করে।
১৫. পেশী মজবুত করে
অশ্বগন্ধা পেশী মজবুত করতে যে কার্যকরী ফলাফল দেয়। পেশিতে কোনো আঘাত পেলে সেটি তা সারাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ব্যায়াম করার ফলে পেশিতে যে চাপের সৃষ্টি হয় তা কমাতেও অশ্বগন্ধা ব্যবহৃত হয়।
১৬. ইনফেকশন থেকে বাঁচায় অশ্বগন্ধা
অশ্বগন্ধার নানা ধরণের ইনফেকশন থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে কারণ এর পাতা ও মূলে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এর মত উপাদান।
১৭. হার্টের সুরক্ষায় অশ্বগন্ধা
আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল সঠিক রেখে আমাদের হার্টকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে অশ্বগন্ধা।
১৮. শরীরের ওজন বৃদ্ধি করতে
অনেকে মনে করেন অশ্বগন্ধার মূলের গুঁড়ো শরীরের ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি এখনও প্রমানিত নয়।
১৯. অবসাদ কমাতে
অশ্বগন্ধায় অ্যাড্যাপটোজেন থাকায় এর নির্যাস অবসাদ ও মনের উদ্বেগ কমাতে উপযোগী।
২০. খুশকি কমাতে
বেশিরভাগ খুশকি কমানোর শ্যাম্পুতে অশ্বগন্ধা থাকে কারণ অশ্বগন্ধার গুঁড়ো দিয়ে তৈরী তেল ও শ্যাম্পু খুশকি কমাতে অনবদ্য কাজ করে।
২১. অকালে চুল পাকা আটকাতে
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী অশ্বগন্ধা গাছের নির্যাস অকালে চুল পাকা আটকাতে খুবই উপকারী।
২২. চুলকে মজবুত করতে
চুলকে ঝলমলে ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে অশ্বগন্ধা কে খুবই উপযোগী বলে মানা হয়।
২৩. বার্ধ্যকের ছাপ দূর করতে
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মনে করা হয় অশ্বগন্ধা গাছের নির্যাস বার্ধ্যকের ছাপ পড়তে দেয় না।
২৪. ক্ষত সারাতে
অশ্বগন্ধার ভিতর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকার ফলে এটি শরীরের ক্ষত সারাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
২৫. কর্টিসল লেভেল কমাতে
মানব শরীরে অ্যাডরিনালিন গ্ল্যান্ডের কোনো সমস্যা থাকলে রক্তে কর্টিসলের পরিমান কম বেশি হয়, এই সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে অশ্বগন্ধা ভালো সাহায্য করে।
২৬. মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে
অশ্বগন্ধার হল এডাপ্টোজেন যার অর্থ হল অশ্বগন্ধা আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই এটি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সক্ষম।
২৭. ত্বকের ইনফেকশন ঠিক করতে
অশ্বগন্ধার পাতা এবং মূলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকার ফলে এটি ত্বকের ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।
অশ্বগন্ধার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
এতক্ষণ অ শ্বগ ন্ধার উপকারিতা গুলো জানার পর চলুন এবার অশ্বগন্ধার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো সম্পর্কে জানা যাক। অশ্বগন্ধার তেমন কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বলেই জানা যায়। তবে নিয়িমিত অনেকদিন ধরে ব্যবহার করলে হয়তো শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত সমস্যা, ঝিমিয়ে পড়া, ব্লাড প্রেসার কমতে পারে ও অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভবতী মহিলারা এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। ডাক্তারের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে নেবেন এটি ব্যবহার করা শুরু করার আগে ।




Reviews
There are no reviews yet.